Ticker

#

Ad Code

Responsive Advertisement

ট্রাকচাপায় ছাত্রদলের দুই কর্মী নিহত

নিহত শুভ ও ইমন। সংগৃহীত ছবি



নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই ছাত্রদল কর্মী নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন- ভোলার চরফ্যাশন থানাধীন উত্তর মনিরাজ গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে শুভ (২২) ও শেরপুরের ঝিনাইগাতী থানাধীন ফুলহারি বাকাগোড়া গ্রামের মৃত পারভেজের ছেলে ইমন (২১)।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে আদমজী-শিমরাইল সড়কে আদমজী ইপিজেডের মূল ফটকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তারা নারায়ণগঞ্জের মিজমিজি মজিববাগ এলাকায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

 

নিহত দুইজন ছাত্রদলের কর্মী ছিলেন বলে জানান নারায়ণগঞ্জ মহানগর ছাত্রদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক আন্দালিব রহমান মিরাজ। 

আরো পড়ুন
নাহিদ রানার পর পিএসএলে দল পেলেন লিটনও

নাহিদ রানার পর পিএসএলে দল পেলেন লিটনও

 

তিনি বলেন, ইমন আর শুভ ছাত্রদলের কর্মী ছিল। তারা আমার সঙ্গেই রাজনীতি করতো। তাদের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু কোনোভাবে মেনে নেওয়া যায় না।

আমরা ট্রাকচালকের কঠোর শাস্তির দাবি জানাই।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি মোটরসাইকেলযোগে শুভ, ইমন ও রবিন নামের তিন যুবক ইপিজেডের সামনে দিয়ে আদমজীর দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় একটি ব্যাটারিচালিত (থ্রি-হুইলার) অটোরিকশাকে ওভারটেক করতে গেলে অপর দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে শুভ ও ইমন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তবে রবিন ভাগ্যক্রমে বেঁচে যান।

এদিকে এ ঘটনায় ট্রাকসহ (কুষ্টিয়া ট ১১-১২৫৮) চালক আনোয়ার হোসেনকে (৫৩) আটক করেছে পুলিশ। তিনি কুষ্টিয়ার বটতলী দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল সাত্তারের ছেলে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মো. শাহীনুর আলম জানান, এ ঘটনায় ট্রাকসহ চালককে আটক করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হলে এ ঘটনায় মামলা নেওয়া হবে।

parallax ad

তামাক ব্যবহারে দেশে প্রতিদিন ৪৪২ জনের মৃত্যু

 নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
তামাক ব্যবহারে দেশে প্রতিদিন ৪৪২ জনের মৃত্যু
ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশে প্রতিদিন ৪৪২ জনের বেশি মানুষ তামাক ব্যবহারজনিত কারণে মারা যান। তামাকের ধোঁয়ায় সাত শতাধিক ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ রয়েছে, যা মানবদেহে প্রায় ৭০টি ক্যানসার সৃষ্টি করতে সক্ষম।

তামাক সেবনের কারণে বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার, হৃদরোগ, ফুসফুসের দীর্ঘমেয়াদী রোগসহ (অ্যাজমা বা হাঁপানি, ডায়াবেটিস, বার্জার ডিজিজ) বিভিন্ন অসংক্রামক রোগ হয়ে থাকে। তামাক সেবন হাড়ের ঘনত্ব কমায়, দাঁত ও মাড়ির ক্ষতি হয়।

তামাক সেবনকারীদের মুখের ক্যান্সারের ঝুঁকি দ্বিগুণ বৃদ্ধি পায়।

আজ সোমবার গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকা তামাক মুক্তকরণ ও তামাক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শক্তিশালীকরণ বিষয়ক আলোচনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব নমিতা দে।

এ সময় বলা হয়, বাংলাদেশে পাবলিক প্লেসে এবং পাবলিক পরিবহনে (রেস্টুরেন্টে ৪৯.৭ শতাংশ, পাবলিক পরিবহনে ৪০ শতাংশ, কর্মক্ষেত্রে ৪২.৭ শতাংশ এবং বাসাবাড়িতে ৩৯ শতাংশ) পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন।

প্রত্যক্ষ ধূমপানের পাশাপাশি পরোক্ষ ধূমপানও সমান ক্ষতিকর।

২০১৮-১৮ অর্থ বছরে চিকিৎসা ব্যয় এবং উৎপাদনশীলতা হারনোসহ তামাক ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত সরাসরি অর্থনৈতিক ক্ষতি ৩০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। একই সময়ে তামাক খাত থেকে অর্জিত রাজস্ব আয় ২২ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। তামাক চাষ ৩০ শতাংশ বন ধ্বংসের জন্য দায়ী।

এ ছাড়াও খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তামাক হুমকিস্বরুপ।

ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দি রুরাল পূয়র (ডর্প) এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের আয়োজনে সভায় সভাপতিত্ব করেন ডর্প-এর উপদেষ্টা ও অবসরপ্রাপ্ত সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আজহার আলী।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডর্প-এর প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর রুবিনা ইসলাম। বক্তব্য রাখেন সিটিএফকেপ্রোগ্রামস ম্যানেজার মো. আব্দুস সালাম মিয়া।

প্রধান অতিথি নমিতা দে বলেন, ‘গাজীপুর সিটি করপোরেশনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে তামাকপণ্য নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এখন থেকে আরো জোরেসোরে তামাকমুক্ত সিটি করপোরেশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। তামাকের বিজ্ঞাপন এখন অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে। তামাকের ব্যবহার বিভিন্ন কর্মশালার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।’

প্রাসঙ্গিক

নেত্রকোনায় আওয়ামী লীগের ১৫ নেতাকর্মী কারাগারে

 আঞ্চলিক প্রতিনিধি, নেত্রকোনা
নেত্রকোনায় আওয়ামী লীগের ১৫ নেতাকর্মী কারাগারে
আসামিদের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ছবি : কালের কণ্ঠ

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ১৫ নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর করে তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) নেত্রকোনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম রাজিবুল হাসান তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. মোজাহিদ হোসেন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন- মোহনগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট লতিফুর রহমান রতন, উপজেলা সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শহীদ ইকবাল, সহসভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল হান্নান রতন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বড়কাশিয়া বিরামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন চৌধুরী, সহসভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান দিলীপ দত্ত, আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর কামাল হোসেন রতন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পুলক মিয়া, পৌর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক বাদল মিয়া, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি পারভেজ চৌধুরী, ওলামা লীগ নেতা সৈয়দ তপন, ছাত্রলীগ নেতা দবির উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা সহিদুর রহমান, রুহুল আমিন, ছুট্টু মিয়া ও মাজহারুল ইসলাম।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুলাই বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থীরা মিছিল বের করে। সময় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ-ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ওই মিছিলে হামলা চালানো হয়। পরে রেলস্টেশনের কাছে থাকা পৌর বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুল হক মাসুমের বাড়িতে হামলা চালায় অর্ধশত ছাত্রলীগ-যুবলীগের নেতাকর্মী। এ সময় বিএনপি নেতা নিজের ঘরের ভেতর অবস্থান করছিলেন।

হামলাকারীরা রামদা-চায়নিজ কুড়ালসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ওই বিএনপি নেতার ঘরের দরজা-জানালা ক্ষতিগ্রস্ত করে। তবে ভেতরে ঢুকতে না পেরে তারা একপর্যায়ে চলে যায়। এ ঘটনায় সরকার পতনের পর ২৮ সেপ্টেম্বর থানায় মামলা করেন ওই বিএনপি নেতা। এতে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের ৩০ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে আরো ২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

এ মামলায় পুলিশ উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম মামুনসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। অন্য আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে জামিনে ছিলেন। 

আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. মোজাহিদ হোসেন বলেন, আসামিরা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। তারা প্রত্যেকেই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। গত ৩ ডিসেম্বর উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জামিনে ছিলেন।

জামিনের শর্তানুযায়ী আজ নিম্ন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন তারা। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন।

বিনা শর্তে আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি উপকূলবাসীর

 খুলনা অফিস
বিনা শর্তে আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি উপকূলবাসীর
সংগৃহীত ছবি

জলবায়ু পরিবর্তনে বিনা শর্তে আর্থিক ক্ষতিপূরণ চেয়েছে খুলনা উপকূলের ভুক্তভোগীরা। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে খুলনায় জলবায়ু ও দুর্যোগ ঝুঁকি অর্থায়ন ও বীমা সংক্রান্ত নীতিমালার অ্যাডভোকেসি বিষয়ক বিভাগীয় কর্মশালায় এ অভিমত ব্যক্ত করা হয়। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অ্যাওসেডের উদ্যোগে কর্মশালায় খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার তৃণমূলের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন। 

তারা মনে করেন, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, দাবদাহ, শৈত্যপ্রবাহ ও লবণাক্তা বৃদ্ধি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব।

ইতোমধ্যে এ অঞ্চলের ৫৩ শতাংশ লবণাক্ত আক্রান্ত, বেশির ভাগ বাঁধ ও স্লুইসগেট ৬০-৬৫ বছরের নাজুক। অথচ এই পরিবর্তনের জন্য দায়ী উন্নত বিশ্বের পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার, কার্বন নিঃসরণ। তাই কপ-১৯, পারিস চুক্তি, কিয়েটো প্রটোকল অনুযায়ী এই ক্ষতির দায় উন্নত বিশ্বকেই দিতে হবে। 

কৃষিবিদ অধ্যক্ষ ড. এস এম ফেরদৌসের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যাওসেডের নির্বাহী পরিচালক শামীম আরফীন।

আরো বক্তব্য দেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউআরপি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. তুষার কান্তি রায়, পানি উন্নয়ন বোর্ড খুলনার অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার সাহা, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক রিফাত জাহান উষা, পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম, কেয়ার বাংলাদেশের মৃত্যুঞ্জয় দাস, ইউপি চেয়ারম্যান এম মফিদুল হক, সাংবাদিক আবু হেনা মোস্তফা জামান পপলু, কৌশিক দে, মো. হেদায়েত হোসেন মোল্লা, শেখ আল এহসান, শরীফুল্লাহ কায়সার সুমন, মৃত্তিকা উন্নয়ন সম্পদের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সামছুর নাহার রত্না, জুলফিকার রায়হান, কেয়ার বাংলাদেশের টেকনিক্যাল কো-অর্ডিনেটর হিমাদ্রি শেখর মণ্ডল প্রমুখ।

কর্মশালায় জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিপূরণের অর্থায়নের যৌক্তিক দাবিগুলো উপস্থাপন করা হয়।

সাতক্ষীরা সীমান্তে বিএসএফের ফাঁকা গুলি

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা সীমান্তে বিএসএফের ফাঁকা গুলি
সংগৃহীত ছবি

সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তে সাউন্ড গানের চার রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।

সোমবার (১৩ জানুয়ারি) ভোররাতে সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তের বিপরীতে ঘোজাডাঙ্গা সীমান্তের শিবতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুলি ছোড়ার ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

আরো পড়ুন
সীমান্ত উত্তেজনা নিয়ে বাংলাদেশি হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

সীমান্ত উত্তেজনা নিয়ে বাংলাদেশি হাইকমিশনারকে তলব করেছে ভারত

 

সাতক্ষীরা ৩৩ বিজিবির সহকারী পরিচালক মাসুদ রানা বলেন, ‘এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়।

গুলির ঘটনার সঙ্গে সাতক্ষীরা সীমান্তের কোনো সম্পর্ক নেই।’

ভোমরা গ্রামের বাসিন্দা লুৎফর রহমান জানান, ভারতীয় সময় সোমবার ভোর ৫টার দিকে ঘোজাডাঙার শিবতলা এলাকায় কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনেন তারা। গুলি ছোড়ার তীব্র শব্দে স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।

সীমান্তে টহলে থাকা বিজিবি সদস্যরাও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, বিএসএফ চার রাউল্ড ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। এটি মূলত সাউন্ড গানের গুলি। এ ঘটনায় পতাকা বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।

আরো পড়ুন
সাবেক ডিবি হারুনের বিরুদ্ধে এক নারীর গুরুতর অভিযোগ

সাবেক ডিবি হারুনের বিরুদ্ধে এক নারীর গুরুতর অভিযোগ

 

প্রসঙ্গত, ভোমরার লক্ষ্মীদাড়ি সীমান্ত এলাকার নজরুল ইসলাম ও নাজমুল হোসেন নামে দুই ব্যক্তি শনিবার বিকেলে নিজেদের জমি চাষাবাদ করতে গেলে বাধা দেয় বিএসএফ সদস্যরা।

এ নিয়ে রবিবার দুপুরে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক করে বিজিবি-বিএসএফ। আগামী ২০ জানুয়ারি সার্ভেয়ার নিয়ে দুই পক্ষই বৈঠকে বসবে বলে বিজিবি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

প্রাসঙ্গিক

সর্বশেষ সংবাদ

Post a Comment

0 Comments